১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

এক সেতু, ছয় গ্রাম, পারাপারে টাকা! হাহাজান ঘাটে অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা

পার্থ ঝা, মানিকচক: মালদহের মানিকচকের নাজিরপুরের হাহাজান ঘাটে বাঁশের সেতু পারাপারে টাকা আদায়ের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, টাকা দিলেই মিলছে সেতু পারাপারের অনুমতি, না দিলে নয়। যাত্রীদের কাছ থেকে ৫ টাকা, সাইকেলে ১০ টাকা এবং মোটরবাইকে ২০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।

হাহাজান ঘাটের কালিন্দী নদীর ওপারে নাজিরপুর পঞ্চায়েতের ছয়টি গ্রাম রয়েছে। বর্ষায় ওই এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াতের প্রধান ভরসা বাঁশের সেতুটি। বর্তমানে সেটির একাধিক অংশ ভেঙে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। পঞ্চায়েতকে বারবার সংস্কারের আবেদন জানিয়েও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ।
এরপর স্থানীয় বাসিন্দা সুদয় মাহালদার নিজ উদ্যোগে শ্রমিক দিয়ে সেতু সংস্কারের কাজ শুরু করেন। অভিযোগ, শনিবার থেকে তাঁর লোকজনই পারাপারকারীদের কাছ থেকে টাকা তুলছেন। তবে টাকা আদায়কারীদের দাবি, এটি তোলাবাজি নয়, সেতু সংস্কারের খরচ মেটাতেই টাকা নেওয়া হচ্ছে। তাঁদের আরও দাবি, পঞ্চায়েতের এক আধিকারিকের মৌখিক নির্দেশ রয়েছে।
যদিও অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি নাজিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের। একমাত্র যাতায়াতের পথ হওয়ায় টাকা দিতে বাধ্য হচ্ছেন ছয় গ্রামের বাসিন্দারা।

বামেদের আইন অমান্য আন্দোলন: সিউড়িতে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, গ্রেপ্তার প্রায় ২০

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

এক সেতু, ছয় গ্রাম, পারাপারে টাকা! হাহাজান ঘাটে অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা

আপডেট : ১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার

পার্থ ঝা, মানিকচক: মালদহের মানিকচকের নাজিরপুরের হাহাজান ঘাটে বাঁশের সেতু পারাপারে টাকা আদায়ের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, টাকা দিলেই মিলছে সেতু পারাপারের অনুমতি, না দিলে নয়। যাত্রীদের কাছ থেকে ৫ টাকা, সাইকেলে ১০ টাকা এবং মোটরবাইকে ২০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।

হাহাজান ঘাটের কালিন্দী নদীর ওপারে নাজিরপুর পঞ্চায়েতের ছয়টি গ্রাম রয়েছে। বর্ষায় ওই এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াতের প্রধান ভরসা বাঁশের সেতুটি। বর্তমানে সেটির একাধিক অংশ ভেঙে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। পঞ্চায়েতকে বারবার সংস্কারের আবেদন জানিয়েও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ।
এরপর স্থানীয় বাসিন্দা সুদয় মাহালদার নিজ উদ্যোগে শ্রমিক দিয়ে সেতু সংস্কারের কাজ শুরু করেন। অভিযোগ, শনিবার থেকে তাঁর লোকজনই পারাপারকারীদের কাছ থেকে টাকা তুলছেন। তবে টাকা আদায়কারীদের দাবি, এটি তোলাবাজি নয়, সেতু সংস্কারের খরচ মেটাতেই টাকা নেওয়া হচ্ছে। তাঁদের আরও দাবি, পঞ্চায়েতের এক আধিকারিকের মৌখিক নির্দেশ রয়েছে।
যদিও অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি নাজিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের। একমাত্র যাতায়াতের পথ হওয়ায় টাকা দিতে বাধ্য হচ্ছেন ছয় গ্রামের বাসিন্দারা।