২৭ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
২৭ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

অনীক দত্তর আত্মাহত্যাকে রাজনৈতিক হত্যা বলেই মনে করেন জীতু

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: সালটা ছিল ২০১৯। দিনটি ১৫ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার। মুক্তি পেয়েছিল অনীক দত্তর বহুচর্চিত সিনেমা ‘ভবিষ্যতের ভূত’। কিন্তু বামফ্রন্ট জমানার সেই ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের পোস্টারের আস্ফালন ও প্রতিবাদের জেরে সরকারি প্রেক্ষাগৃহ নন্দনে ঠাঁই মেলেনি অনীকের ছবির। ঠিক সাত বছর পর, ২০২৬ সালের ২৯ মে, আরও এক শুক্রবার। আজ সেই নন্দন চত্বরেই শেষবারের মতো নিয়ে আসা হল পরিচালক অনীক দত্তর নিথর দেহ। জীবিতাবস্থায় যে নন্দন তাঁকে ব্রাত্য করে রেখেছিল, মৃত্যুর পর সেখানেই জানানো হল শেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য।

নন্দন থেকে টালিগঞ্জের এনটিওয়ান স্টুডিও হয়ে পরিচালকের মরদেহ যখন কেওড়াতলা মহাশ্মশানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তখন টলিউডের চেনা তারকাদের ভিড়ে এক কোণে চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিলেন অনীকের ছবির ‘সত্যজিৎ’, অর্থাৎ অভিনেতা জীতু কমল। প্রিয় পরিচালকের আকস্মিক প্রয়াণে বুধবার থেকেই স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। সোশাল মিডিয়ায় প্রিয় পরিচালকের শেষকৃত্যে অংশ নেওয়া নিয়ে কিছু মানুষের উপস্থিতির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন জীতু। আর এবার কেওড়াতলা মহাশ্মশানে দাঁড়িয়েই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন অনীকের সত্যজিৎ।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে টলিউডের ভেতরের নোংরা রাজনীতি নিয়ে কার্যত বোমা ফাটালেন জীতু। অনীক দত্তের আকস্মিক মৃত্যু নিয়ে বলতে গিয়ে জীতু জানান, ”একটা মানুষ যে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে চলে গেলেন এমন নয়। এটা রাজনৈতিক একটা হত্যা। পূর্বতন সরকার একটা মানুষকে তো মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছেন। নন্দনে ছবি চলতে না দেওয়া, বহু মানুষের কাছে রটিয়ে দেওয়া, যে ওঁর ছবি সিনেমা হলে রিলিজ করলে অসুবিধা হবে। এগুলো তো হয়েছে। যে কারণের জন্য আমি নিজেও, ছবির কাজ ছেড়ে টিভির কাজ করলাম। তাই তো নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে এসএমএস করেছি, ইমেল করেছি, অগ্নিমিত্রা পালের কাছে এসএমএস করেছি যে আমাদের ছবিটাকে (অপরাজিত) চালাতে দেয়নি। অন্তত শ্রদ্ধাঞ্জলি হিসেবে একদিনের জন্য হলেও, ছবিটা দেখানো হোক।”

খাড়গের বাসভবনের সামনে বিজেপির বিক্ষোভ, আটক করা হয় প্রায় ২০০০ জনকে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অনীক দত্তর আত্মাহত্যাকে রাজনৈতিক হত্যা বলেই মনে করেন জীতু

আপডেট : ৩১ মে ২০২৬, রবিবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: সালটা ছিল ২০১৯। দিনটি ১৫ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার। মুক্তি পেয়েছিল অনীক দত্তর বহুচর্চিত সিনেমা ‘ভবিষ্যতের ভূত’। কিন্তু বামফ্রন্ট জমানার সেই ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের পোস্টারের আস্ফালন ও প্রতিবাদের জেরে সরকারি প্রেক্ষাগৃহ নন্দনে ঠাঁই মেলেনি অনীকের ছবির। ঠিক সাত বছর পর, ২০২৬ সালের ২৯ মে, আরও এক শুক্রবার। আজ সেই নন্দন চত্বরেই শেষবারের মতো নিয়ে আসা হল পরিচালক অনীক দত্তর নিথর দেহ। জীবিতাবস্থায় যে নন্দন তাঁকে ব্রাত্য করে রেখেছিল, মৃত্যুর পর সেখানেই জানানো হল শেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য।

নন্দন থেকে টালিগঞ্জের এনটিওয়ান স্টুডিও হয়ে পরিচালকের মরদেহ যখন কেওড়াতলা মহাশ্মশানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তখন টলিউডের চেনা তারকাদের ভিড়ে এক কোণে চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিলেন অনীকের ছবির ‘সত্যজিৎ’, অর্থাৎ অভিনেতা জীতু কমল। প্রিয় পরিচালকের আকস্মিক প্রয়াণে বুধবার থেকেই স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। সোশাল মিডিয়ায় প্রিয় পরিচালকের শেষকৃত্যে অংশ নেওয়া নিয়ে কিছু মানুষের উপস্থিতির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন জীতু। আর এবার কেওড়াতলা মহাশ্মশানে দাঁড়িয়েই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন অনীকের সত্যজিৎ।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে টলিউডের ভেতরের নোংরা রাজনীতি নিয়ে কার্যত বোমা ফাটালেন জীতু। অনীক দত্তের আকস্মিক মৃত্যু নিয়ে বলতে গিয়ে জীতু জানান, ”একটা মানুষ যে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে চলে গেলেন এমন নয়। এটা রাজনৈতিক একটা হত্যা। পূর্বতন সরকার একটা মানুষকে তো মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছেন। নন্দনে ছবি চলতে না দেওয়া, বহু মানুষের কাছে রটিয়ে দেওয়া, যে ওঁর ছবি সিনেমা হলে রিলিজ করলে অসুবিধা হবে। এগুলো তো হয়েছে। যে কারণের জন্য আমি নিজেও, ছবির কাজ ছেড়ে টিভির কাজ করলাম। তাই তো নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে এসএমএস করেছি, ইমেল করেছি, অগ্নিমিত্রা পালের কাছে এসএমএস করেছি যে আমাদের ছবিটাকে (অপরাজিত) চালাতে দেয়নি। অন্তত শ্রদ্ধাঞ্জলি হিসেবে একদিনের জন্য হলেও, ছবিটা দেখানো হোক।”