২৬ মে ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৬ মে ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সিএমএস উচ্চ বিদ্যালয়-এর সামনে পালিত হলো নজরুল জন্ম দিবস।

নিজস্ব সংবাদদাতা : বর্ধমান বাবুরবাগ সিএমএস উচ্চ বিদ্যালয়-এর সামনে প্রতিবছরের মত এবারও পালিত হলো নজরুল জন্ম দিবস। উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান রাজ কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক ডক্টর তারকনাথ শেঠ মহাশয়, তিনি নজরুলের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন। ছিলেন গুসকরা কলেজের প্রাক্তন প্রিন্সিপাল স্বপন দাঁ, হাট গোবিন্দপুর কলেজের প্রাক্তন প্রিন্সিপাল রঞ্জিত ব্যানার্জি মহাশয় এই সভায় নজরুলের বর্তমান প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা করা হয়। তাঁর বৃষ্টিতে ধর্মের সংকীর্ণতা ছিল না। শ্যাম ও শ্যামার রূপ তিনি একান্তে অনুভব করেছিলেন। কাজী নজরুল আমাদের সম্প্রীতির প্রতীক, ঐতিহ্যের প্রতীক। আমাদের বাংলা ও বাঙালির অন্যতম সত্তা, রবীন্দ্রনাথের মতোই সময় ও কাল চেতনার ঊর্ধ্বে। উপস্থিত ছিলেন কবি নিয়াজুল হক, আনসার সাহেব, সমাজকর্মী জানে আলম, শিক্ষক গৌতম খান, বিশিষ্ট সাংবাদিক কানাইলাল বিশ্বাস, সাহিত্যপ্রেমী শ্রী জয়দীপ , ডাক্তার সুমন্ত রায়, ডাক্তার হবিবুল্লা, চিত্রশিল্পী জয়ন্ত প্রমূখ ব্যক্তিত্ব। বৃক্ষপ্রেমী ও ও এই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক দাস মহাশয় জানান রবীন্দ্রনাথ এবং নজরুল প্রকৃতিপ্রেমী। সেই প্রকৃতি প্রেম ছড়িয়ে আছে এই বিদ্যালয় এর চারিদিকে বৃক্ষ রোপনের মধ্য দিয়ে তিনি সারা জীবন সেই প্রকৃতি প্রেমের সাধনা করেছেন।” ড. রমজান আলি বলেন, মে মাস বাঙালির কাছে খুব গর্বের মাস এই মাসের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথের জন্ম আর শেষের দিকে কাজী নজরুল ইসলামের মধ্যিখানে উনিশে মে আসামের শিলচরে বাংলা ভাষা আন্দোলন। আমাদের সংস্কৃতি আমাদের ঐতিহ্য মহান। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্যের বিষয় এই সময় বেশিরভাগ বিদ্যালয়গুলোতে গরমের ছুটি থাকে তাই শিক্ষক মহা সেরা ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে এই সমস্ত বাঙালি আদর্শ এবং ঐতিহ্য ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে তুলে ধরতে পারেন না, নতুন সরকারের কাছে তার আবেদন অন্তত এই সমস্ত মহৎ বাঙালিদের জন্মদিনগুলোতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা হোক।” অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন মীরাদি।

সোমবার দুপুরে অভিষেকের বাড়ি ঢুকে ‘মনিটর’ নিয়ে গেলো কলকাতায় পুলিশ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সিএমএস উচ্চ বিদ্যালয়-এর সামনে পালিত হলো নজরুল জন্ম দিবস।

আপডেট : ২৬ মে ২০২৬, মঙ্গলবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : বর্ধমান বাবুরবাগ সিএমএস উচ্চ বিদ্যালয়-এর সামনে প্রতিবছরের মত এবারও পালিত হলো নজরুল জন্ম দিবস। উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান রাজ কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক ডক্টর তারকনাথ শেঠ মহাশয়, তিনি নজরুলের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন। ছিলেন গুসকরা কলেজের প্রাক্তন প্রিন্সিপাল স্বপন দাঁ, হাট গোবিন্দপুর কলেজের প্রাক্তন প্রিন্সিপাল রঞ্জিত ব্যানার্জি মহাশয় এই সভায় নজরুলের বর্তমান প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা করা হয়। তাঁর বৃষ্টিতে ধর্মের সংকীর্ণতা ছিল না। শ্যাম ও শ্যামার রূপ তিনি একান্তে অনুভব করেছিলেন। কাজী নজরুল আমাদের সম্প্রীতির প্রতীক, ঐতিহ্যের প্রতীক। আমাদের বাংলা ও বাঙালির অন্যতম সত্তা, রবীন্দ্রনাথের মতোই সময় ও কাল চেতনার ঊর্ধ্বে। উপস্থিত ছিলেন কবি নিয়াজুল হক, আনসার সাহেব, সমাজকর্মী জানে আলম, শিক্ষক গৌতম খান, বিশিষ্ট সাংবাদিক কানাইলাল বিশ্বাস, সাহিত্যপ্রেমী শ্রী জয়দীপ , ডাক্তার সুমন্ত রায়, ডাক্তার হবিবুল্লা, চিত্রশিল্পী জয়ন্ত প্রমূখ ব্যক্তিত্ব। বৃক্ষপ্রেমী ও ও এই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক দাস মহাশয় জানান রবীন্দ্রনাথ এবং নজরুল প্রকৃতিপ্রেমী। সেই প্রকৃতি প্রেম ছড়িয়ে আছে এই বিদ্যালয় এর চারিদিকে বৃক্ষ রোপনের মধ্য দিয়ে তিনি সারা জীবন সেই প্রকৃতি প্রেমের সাধনা করেছেন।” ড. রমজান আলি বলেন, মে মাস বাঙালির কাছে খুব গর্বের মাস এই মাসের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথের জন্ম আর শেষের দিকে কাজী নজরুল ইসলামের মধ্যিখানে উনিশে মে আসামের শিলচরে বাংলা ভাষা আন্দোলন। আমাদের সংস্কৃতি আমাদের ঐতিহ্য মহান। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্যের বিষয় এই সময় বেশিরভাগ বিদ্যালয়গুলোতে গরমের ছুটি থাকে তাই শিক্ষক মহা সেরা ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে এই সমস্ত বাঙালি আদর্শ এবং ঐতিহ্য ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে তুলে ধরতে পারেন না, নতুন সরকারের কাছে তার আবেদন অন্তত এই সমস্ত মহৎ বাঙালিদের জন্মদিনগুলোতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা হোক।” অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন মীরাদি।