২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩

পাইপ লাইন সম্প্রসারণে মসজিদের জমির টাকা না মেলায় ক্ষোভ

আজিজুর রহমান,গলসি : মসজিদের জমির উপর দিয়ে গেছে গেইল ইন্ডিয়ার পাইপ লাইন। প্রতিশ্রুতি মোতাবিক টাকা না দেওয়ায় কাজ বন্ধ করলো গ্রামবাসীরা। তবে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে শেষমেষ শুরু হয় কাজ। গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, গলসি মৌজায় ২৮৩৬ দাগের ১০ শতক সম্পত্তি টি উত্তর গলসীর দক্ষিণ বাবলা জামে মসজিদের মতোয়ালী হবিবর রহমানের নামে কেনা হয়েছিল। ১৯৭৬ সালের পুরাতন দলিলও তাদের কাছে আছে। সেই মোতাবিক ২০২১ সালে নোটিশ আসে গ্রামবাসী সেখ কাশেম এর নামে। এমনকি কাজ শুরু করার সময় শষ্য ক্ষতি পুরনের জন্য তিন হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল তাদের। তবে তাদের জমিতে কাজ শেষ হয়ে গেলে মসজিদের জমির প্রাপ্য টাকা না দিয়ে ঘোরানো হয় বলে অভিযোগ। অবশেষে এদিন বিকালে গ্রামবাসীরা গলসির শা পীর তলার কাছে একত্রিত হয়ে গেইল ইন্ডিয়ার পাইপ লাইন সম্প্রসারণের কাজ বন্ধ করে দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। গ্রামবাসীদের দাবী, বার বার অফিসার পরিবর্তন হওয়ায়। তাদের এক অফিসার থেকে আর অফিসারের কাছে ছুটতে হচ্ছে। তাই এদিন তারা গলসির শা’পীর তলার কাছে এসে জড়ো হন। এদিকে বিষয়টি নিয়ে গেইল ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড অফিসারদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বিষয়টি নিয়ে এখন কিছু বলতে চাননি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অফিসার জানিয়েছেন, জমির দাগটির রেকর্ড সংক্রান্ত কিছু জটিলতা রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা সেখ কামরুল বলেন, আমরা ১৯৭৬ সালে শ্রীমতি সজলা দত্ত কাছ থেকে জমিটি কিনেছিলাম। আজ অবদি প্রযন্ত চাষ করছি। গ্রামবাসী সেখ কাশেম নামে ভুল বসত রেকর্ড হয়েছিল। ২০২২ সালে সেই রেকর্ড কেটে ভেস্ট করে দেওয়া হয়। তারপর থেকে জটিলতা তৈরী হয়ে যায়। তবুও গেইল এর অফিসাররা টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তাই তারা জমিতে পাইপ বসাতে দিয়েছিলেন। এখন মসজিদের টাকা না দিয়ে রাতারাতি কাজ করে বেরিয়ে যেতে চাইছে। তবে মসজিদের জমির টাকা না পেলে গ্রামের মানুষ বড়সড় আন্দোলন করার হুশিয়ারি দিয়েছেন।

লটারির নামে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পাইপ লাইন সম্প্রসারণে মসজিদের জমির টাকা না মেলায় ক্ষোভ

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২৪, বুধবার

আজিজুর রহমান,গলসি : মসজিদের জমির উপর দিয়ে গেছে গেইল ইন্ডিয়ার পাইপ লাইন। প্রতিশ্রুতি মোতাবিক টাকা না দেওয়ায় কাজ বন্ধ করলো গ্রামবাসীরা। তবে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে শেষমেষ শুরু হয় কাজ। গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, গলসি মৌজায় ২৮৩৬ দাগের ১০ শতক সম্পত্তি টি উত্তর গলসীর দক্ষিণ বাবলা জামে মসজিদের মতোয়ালী হবিবর রহমানের নামে কেনা হয়েছিল। ১৯৭৬ সালের পুরাতন দলিলও তাদের কাছে আছে। সেই মোতাবিক ২০২১ সালে নোটিশ আসে গ্রামবাসী সেখ কাশেম এর নামে। এমনকি কাজ শুরু করার সময় শষ্য ক্ষতি পুরনের জন্য তিন হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল তাদের। তবে তাদের জমিতে কাজ শেষ হয়ে গেলে মসজিদের জমির প্রাপ্য টাকা না দিয়ে ঘোরানো হয় বলে অভিযোগ। অবশেষে এদিন বিকালে গ্রামবাসীরা গলসির শা পীর তলার কাছে একত্রিত হয়ে গেইল ইন্ডিয়ার পাইপ লাইন সম্প্রসারণের কাজ বন্ধ করে দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। গ্রামবাসীদের দাবী, বার বার অফিসার পরিবর্তন হওয়ায়। তাদের এক অফিসার থেকে আর অফিসারের কাছে ছুটতে হচ্ছে। তাই এদিন তারা গলসির শা’পীর তলার কাছে এসে জড়ো হন। এদিকে বিষয়টি নিয়ে গেইল ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড অফিসারদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বিষয়টি নিয়ে এখন কিছু বলতে চাননি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অফিসার জানিয়েছেন, জমির দাগটির রেকর্ড সংক্রান্ত কিছু জটিলতা রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা সেখ কামরুল বলেন, আমরা ১৯৭৬ সালে শ্রীমতি সজলা দত্ত কাছ থেকে জমিটি কিনেছিলাম। আজ অবদি প্রযন্ত চাষ করছি। গ্রামবাসী সেখ কাশেম নামে ভুল বসত রেকর্ড হয়েছিল। ২০২২ সালে সেই রেকর্ড কেটে ভেস্ট করে দেওয়া হয়। তারপর থেকে জটিলতা তৈরী হয়ে যায়। তবুও গেইল এর অফিসাররা টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তাই তারা জমিতে পাইপ বসাতে দিয়েছিলেন। এখন মসজিদের টাকা না দিয়ে রাতারাতি কাজ করে বেরিয়ে যেতে চাইছে। তবে মসজিদের জমির টাকা না পেলে গ্রামের মানুষ বড়সড় আন্দোলন করার হুশিয়ারি দিয়েছেন।