২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩

নায‍্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে ফের কৃষক বিক্ষোভ মেমারিতে।

নূর আহমেদ, মেমারি : কত মরশুমে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ও নাবি ধ্বসার কারণে আলু চাষের ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েন মেমারি এলাকার কৃষকেরা। এমনকি দু দুবার করে আলু চাষ করেও পরিমাণ মতো ফসল না হওয়ার কারণে ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েন কৃষকেরা। এরপর ঋণ করে বীমা কোম্পানিকে টাকা জমা দিয়ে ক্ষতিপূরণের আশায় বীমা করেন কৃষকেরা।

মাসের-পর মাস কেটে যাওয়ার পর অবশেষে মেলে যত সামান্য বিমার টাকা।
আর তারপরেই আমরা দেখেছি যে দিকে দিকে কৃষকেরা পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন, এমনকি বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরেও ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবি নিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছিলেন,এবং সেই সময় প্রশাসনিক দপ্তরের আধিকারিকসহ এলাকার জনপ্রতিনিধিরা আশ্বাস দিয়েছিলেন যে ন্যায্য এলাকার কৃষকদের দাবি গুলি পুনর্বিবেচনা করা হবে।

আর তারপর দেখা গেল মেমারি এক নম্বর ব্লকের দশটি অঞ্চলের মধ্যে পাঁচটি অঞ্চলের কৃষকদের ক্ষতিপূরণের টাকার পরিমাণ এক লাফে অনেকটাই বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু বাকি পাঁচটি অঞ্চলের কৃষকদের ক্ষতিপূরণের টাকার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়নি।
তাই এদিন সোমবার কৃষক ঐক্য মঞ্চের পক্ষ থেকে মেমারি এক ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তা করনে বিক্ষোভ দেখালো ন্যায্য ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত কৃষকেরা।
কৃষকদের দাবি মেমারি এক নম্বর ব্লকের দশটি অঞ্চলের মধ্যে পাঁচটি অঞ্চলের কৃষকেরা যেমন নায্য ক্ষতিপূরণ পায় তাহার ব্যবস্থা করতে হবে, এবং কি কারণে তারা নায্য ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত হলো তার উপযুক্ত কারণ সংশ্লিষ্ট আধিকারিক দর্শাতে হবে। এবং এই বিষয়ে মেমারি ১ ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তার কাছে কৃষকদের দাবিগুলি লিখিত আকারে জমা করেন এবংv আগামী সাত দিনের মধ্যে যদি এর কোন সুরাহা না হয় তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কৃষকেরা

লটারির নামে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নায‍্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে ফের কৃষক বিক্ষোভ মেমারিতে।

আপডেট : ১৫ জুলাই ২০২৪, সোমবার

নূর আহমেদ, মেমারি : কত মরশুমে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ও নাবি ধ্বসার কারণে আলু চাষের ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েন মেমারি এলাকার কৃষকেরা। এমনকি দু দুবার করে আলু চাষ করেও পরিমাণ মতো ফসল না হওয়ার কারণে ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েন কৃষকেরা। এরপর ঋণ করে বীমা কোম্পানিকে টাকা জমা দিয়ে ক্ষতিপূরণের আশায় বীমা করেন কৃষকেরা।

মাসের-পর মাস কেটে যাওয়ার পর অবশেষে মেলে যত সামান্য বিমার টাকা।
আর তারপরেই আমরা দেখেছি যে দিকে দিকে কৃষকেরা পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন, এমনকি বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরেও ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবি নিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছিলেন,এবং সেই সময় প্রশাসনিক দপ্তরের আধিকারিকসহ এলাকার জনপ্রতিনিধিরা আশ্বাস দিয়েছিলেন যে ন্যায্য এলাকার কৃষকদের দাবি গুলি পুনর্বিবেচনা করা হবে।

আর তারপর দেখা গেল মেমারি এক নম্বর ব্লকের দশটি অঞ্চলের মধ্যে পাঁচটি অঞ্চলের কৃষকদের ক্ষতিপূরণের টাকার পরিমাণ এক লাফে অনেকটাই বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু বাকি পাঁচটি অঞ্চলের কৃষকদের ক্ষতিপূরণের টাকার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়নি।
তাই এদিন সোমবার কৃষক ঐক্য মঞ্চের পক্ষ থেকে মেমারি এক ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তা করনে বিক্ষোভ দেখালো ন্যায্য ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত কৃষকেরা।
কৃষকদের দাবি মেমারি এক নম্বর ব্লকের দশটি অঞ্চলের মধ্যে পাঁচটি অঞ্চলের কৃষকেরা যেমন নায্য ক্ষতিপূরণ পায় তাহার ব্যবস্থা করতে হবে, এবং কি কারণে তারা নায্য ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত হলো তার উপযুক্ত কারণ সংশ্লিষ্ট আধিকারিক দর্শাতে হবে। এবং এই বিষয়ে মেমারি ১ ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তার কাছে কৃষকদের দাবিগুলি লিখিত আকারে জমা করেন এবংv আগামী সাত দিনের মধ্যে যদি এর কোন সুরাহা না হয় তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কৃষকেরা