২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

উচ্চ মাধ্যমিকে ষষ্ঠ মেমারীর আফরিন মন্ডল। স্বপ্ন চিকিৎসক হয়ে অসহায়ের পাশে থাকার।

নূর আহমেদ : প্রকাশিত হলো উচ্চ মাধ্যমিক এর ফলাফল। উচ্চ মাধ্যমিকে ধারাবাহিকতা বজায় রাখল মেমারি বিদ্যাসাগর স্মৃতি বিদ্যামন্দির শাখা ১। রাজ্যের মধ্যে ষষ্ঠ এবং পূর্ব বর্ধমান জেলার মধ্যে সম্ভাব্য প্রথম মেমারির আফরিন মন্ডল। বিজ্ঞান বিভাগের এই ছাত্রীর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯১। আগামী দিনে চিকিৎসক হওয়া স্বপ্ন আফরিনের। মেমারীর শোভনা গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের মেধাবি ছাত্রী আফরিন ছোট থেকেই মেধাবি। প্রাথমিক থেকেই ধারাবাহিক ভাবে প্রথম স্থান অর্জন করতে থাকে। আফরিন জানান দিনে ৮ থেকে দশঘন্টা পড়াশোনা করতো সে। বাবা আজিম মন্ডল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গেস্ট লেকচারার। মা মেমারী পোষ্ট অফিসের এজেন্ট।

এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আফরিন মন্ডল বলেন, সে মধ্যবিত্ত পরিবারের একটি গ্রামের মেয়ে। খুব কাছ থেকে দেখেছি মানুষের প্রতিবন্ধকতা। অনেকেই চিকিৎসার অভাবে মারা যান। তাই আগামী দিনে চিকিৎসক হয়ে দুস্ত ও অসহায়ের মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। মানুষের মধ্যে চিকিৎসায় সম্পর্কে ভুল ধারণা রয়েছে। আমি চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেই ভুল ধারণা পাল্টে দিতে চাই। আমার এই সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়ের অবদান রয়েছে সেই সাথে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গৃহ শিক্ষকদের অবদান কখনোই অস্বীকার করা যাবে না।। তাদের অনুপ্রেরণা এবং প্রতিনিয়ত আমাকে উৎসাহ প্রদান আজ আমাকে এই সাফল্যের সামনে দাঁড় করিয়েছে।
উচ্চমাধ্যমিকে রাজ্যের মধ্যে ষষ্ঠ ও পূর্ব বর্ধমান জেলার মধ্যে সম্ভাব্যপ্রথম মেমারি বিদ্যাসাগর স্মৃতি বিদ্যামন্দির শাখা ১ এর আফরিন মন্ডল। উচ্চমাধ্যমিকে তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৯১ ( ৯৮.০২%)।

লটারির নামে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

উচ্চ মাধ্যমিকে ষষ্ঠ মেমারীর আফরিন মন্ডল। স্বপ্ন চিকিৎসক হয়ে অসহায়ের পাশে থাকার।

আপডেট : ৮ মে ২০২৪, বুধবার

নূর আহমেদ : প্রকাশিত হলো উচ্চ মাধ্যমিক এর ফলাফল। উচ্চ মাধ্যমিকে ধারাবাহিকতা বজায় রাখল মেমারি বিদ্যাসাগর স্মৃতি বিদ্যামন্দির শাখা ১। রাজ্যের মধ্যে ষষ্ঠ এবং পূর্ব বর্ধমান জেলার মধ্যে সম্ভাব্য প্রথম মেমারির আফরিন মন্ডল। বিজ্ঞান বিভাগের এই ছাত্রীর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯১। আগামী দিনে চিকিৎসক হওয়া স্বপ্ন আফরিনের। মেমারীর শোভনা গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের মেধাবি ছাত্রী আফরিন ছোট থেকেই মেধাবি। প্রাথমিক থেকেই ধারাবাহিক ভাবে প্রথম স্থান অর্জন করতে থাকে। আফরিন জানান দিনে ৮ থেকে দশঘন্টা পড়াশোনা করতো সে। বাবা আজিম মন্ডল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গেস্ট লেকচারার। মা মেমারী পোষ্ট অফিসের এজেন্ট।

এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আফরিন মন্ডল বলেন, সে মধ্যবিত্ত পরিবারের একটি গ্রামের মেয়ে। খুব কাছ থেকে দেখেছি মানুষের প্রতিবন্ধকতা। অনেকেই চিকিৎসার অভাবে মারা যান। তাই আগামী দিনে চিকিৎসক হয়ে দুস্ত ও অসহায়ের মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। মানুষের মধ্যে চিকিৎসায় সম্পর্কে ভুল ধারণা রয়েছে। আমি চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেই ভুল ধারণা পাল্টে দিতে চাই। আমার এই সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়ের অবদান রয়েছে সেই সাথে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গৃহ শিক্ষকদের অবদান কখনোই অস্বীকার করা যাবে না।। তাদের অনুপ্রেরণা এবং প্রতিনিয়ত আমাকে উৎসাহ প্রদান আজ আমাকে এই সাফল্যের সামনে দাঁড় করিয়েছে।
উচ্চমাধ্যমিকে রাজ্যের মধ্যে ষষ্ঠ ও পূর্ব বর্ধমান জেলার মধ্যে সম্ভাব্যপ্রথম মেমারি বিদ্যাসাগর স্মৃতি বিদ্যামন্দির শাখা ১ এর আফরিন মন্ডল। উচ্চমাধ্যমিকে তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৯১ ( ৯৮.০২%)।