২৭ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
২৭ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩

মানসিক অবসাদে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হলো এক ব্যক্তি, ঘটনায় চাঞ্চল্য এলাকায়

জয়দীপ মৈত্র, দক্ষিণ দিনাজপুর: দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতার কারণে মানসিক অবসাদে নিজের শোয়ার ঘরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হলো এক ব্যক্তি। বুধবার এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানার অন্তর্গত দহপাড়া এলাকায়। জানা গেছে মৃত ব্যক্তির নাম সমাপ্ত রায় (৩৫) বাবা বীরেন রায় বাড়ি গঙ্গারামপুর থানার অন্তর্গত দহপাড়া এলাকায়। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতার কারণে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন ওই ব্যক্তি।

এরপর বুধবার ভোরে নিজের শোয়ার ঘরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয় সমাপ্ত রায় নামে ওই ব্যক্তি। বিষয়টি বাড়ির লোকেদের নজরে আসতে তড়িঘড়ি তাকে উদ্ধার করে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। এরপর গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে গঙ্গারামপুর থানায় নিয়ে এসে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের মর্গে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে পুরো ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ। পরিবারের লোকেদের দাবি দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতার কারণেই আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় ওই ব্যক্তি। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি শোকের ছায়া নেমে এসেছে ঐ পরিবারে।

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে ৩ হাজার টাকার দাবি, নালুয়ায় মহিলাদের অবস্থান

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মানসিক অবসাদে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হলো এক ব্যক্তি, ঘটনায় চাঞ্চল্য এলাকায়

আপডেট : ২২ নভেম্বর ২০২৩, বুধবার

জয়দীপ মৈত্র, দক্ষিণ দিনাজপুর: দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতার কারণে মানসিক অবসাদে নিজের শোয়ার ঘরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হলো এক ব্যক্তি। বুধবার এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানার অন্তর্গত দহপাড়া এলাকায়। জানা গেছে মৃত ব্যক্তির নাম সমাপ্ত রায় (৩৫) বাবা বীরেন রায় বাড়ি গঙ্গারামপুর থানার অন্তর্গত দহপাড়া এলাকায়। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতার কারণে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন ওই ব্যক্তি।

এরপর বুধবার ভোরে নিজের শোয়ার ঘরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয় সমাপ্ত রায় নামে ওই ব্যক্তি। বিষয়টি বাড়ির লোকেদের নজরে আসতে তড়িঘড়ি তাকে উদ্ধার করে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। এরপর গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে গঙ্গারামপুর থানায় নিয়ে এসে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের মর্গে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে পুরো ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ। পরিবারের লোকেদের দাবি দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতার কারণেই আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় ওই ব্যক্তি। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি শোকের ছায়া নেমে এসেছে ঐ পরিবারে।