১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

শক্তিগড়ে কয়লা মাফিয়া রাজু ঝা খুনে সিট গঠন করল পুলিশ

লুতুব আলি, বর্ধমান, ৩ এপ্রিল : শক্তিগড়ে কয়লা মাফিয়া রাজু ঝা খুনে সিট গঠন করল পুলিশ শনিবার সন্ধ্যায় পূর্ব বর্ধমান জেলার শক্তিগড় থানা এলাকায় ২ নং জাতীয় সড়কে ওপর ল্যাংচার দোকানের কাছে আততায়ীদের গুলিতে খুন হন পশ্চিম বর্ধমানের শিল্পাঞ্চলের বাসিন্দা রাজু ঝা। খুন হওয়ার পর ই অভিযোগ ওঠে : রাজু ঝা একজন প্রখ্যাত কয়লা মাফিয়া ছিলেন। সূত্র মারফত জানা যায়: খুন হওয়ার দিন সন্ধ্যায় রাজু ঝা, দুর্গাপুর থেকে কলকাতার দিকে যাচ্ছিলেন। সঙ্গে বেশ আরো কয়েকজন আরোহী ছিলেন। মিষ্টি ভাবের কাছে তার ড্রাইভার নূর হোসেন সাদা রংয়ের এসইউভি বিলাস বহুল গাড়িটি দাঁড় করিয়ে খাবার কিনতে যায়। সেই সময়ই নীল রঙের একটি গাড়ি করে এসে আততায়ীরা বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালিয়ে রাজু ঝা কে ঝাঁঝরা করে দেয়। তারপর খুনিরা কলকাতার দিকে পালাতে গিয়ে বিভ্রান্ত হয়ে শক্তিগড়ের দিকে গিয়ে শক্তিগড় থানার আগে রেলগেটের কাছে গাড়িটি রেখে তারা পালিয়ে যায়। পুলিশ গাড়িটিকে উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় শক্তিগড় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আর ও জানা যায় : রাজু ঝা বাম আমল থেকে ই সক্রিয়ভাবে রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে বেআইনি ব্যবসা কে বার বারান্ত করতে সহায়তা করে। রাজ্যে পালা বদল হওয়ার পর রাজু ঝা অনেক রাজনৈতিক দলের জামা পড়েছেন। প্রসঙ্গত খুন হওয়ার দিন রাজু যে গাড়িটি চেপে আসছিলেন সেই সাদা এস ইউ ভি গাড়িটি নাকি গরু পাচার কাণ্ডে সিবিআই এর খাতায় ফেরার হওয়া আব্দুল লতিফের। গাড়িতে রাজুর সঙ্গে এক আরোহী ব্রতীন মুখোপাধ্যায়ের হাতেও গুলির চোট লাগে। গাড়ির চালক নূর হোসেন ও ব্রতীর্ণ মুখোপাধ্যায় কে পুলিশ জেরা করে করে অনেক অসংগতি পান বলে জানা গেছে। গাড়িতে সেদিন ঠিক কতজন আরোহি ছিলেন তদন্তকারী পুলিশেরা তা জানার চেষ্টা করছেন। পুলিশ খুব শীঘ্রই এই খুনের ঘটনা কিনারা করবেন বলে জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পুলিশ সিট গঠন করেছেন।

বাঘের আতঙ্ক রুখতে কুলতলিতে ১৯০ সৌর পথবাতি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শক্তিগড়ে কয়লা মাফিয়া রাজু ঝা খুনে সিট গঠন করল পুলিশ

আপডেট : ৩ এপ্রিল ২০২৩, সোমবার

লুতুব আলি, বর্ধমান, ৩ এপ্রিল : শক্তিগড়ে কয়লা মাফিয়া রাজু ঝা খুনে সিট গঠন করল পুলিশ শনিবার সন্ধ্যায় পূর্ব বর্ধমান জেলার শক্তিগড় থানা এলাকায় ২ নং জাতীয় সড়কে ওপর ল্যাংচার দোকানের কাছে আততায়ীদের গুলিতে খুন হন পশ্চিম বর্ধমানের শিল্পাঞ্চলের বাসিন্দা রাজু ঝা। খুন হওয়ার পর ই অভিযোগ ওঠে : রাজু ঝা একজন প্রখ্যাত কয়লা মাফিয়া ছিলেন। সূত্র মারফত জানা যায়: খুন হওয়ার দিন সন্ধ্যায় রাজু ঝা, দুর্গাপুর থেকে কলকাতার দিকে যাচ্ছিলেন। সঙ্গে বেশ আরো কয়েকজন আরোহী ছিলেন। মিষ্টি ভাবের কাছে তার ড্রাইভার নূর হোসেন সাদা রংয়ের এসইউভি বিলাস বহুল গাড়িটি দাঁড় করিয়ে খাবার কিনতে যায়। সেই সময়ই নীল রঙের একটি গাড়ি করে এসে আততায়ীরা বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালিয়ে রাজু ঝা কে ঝাঁঝরা করে দেয়। তারপর খুনিরা কলকাতার দিকে পালাতে গিয়ে বিভ্রান্ত হয়ে শক্তিগড়ের দিকে গিয়ে শক্তিগড় থানার আগে রেলগেটের কাছে গাড়িটি রেখে তারা পালিয়ে যায়। পুলিশ গাড়িটিকে উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় শক্তিগড় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আর ও জানা যায় : রাজু ঝা বাম আমল থেকে ই সক্রিয়ভাবে রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে বেআইনি ব্যবসা কে বার বারান্ত করতে সহায়তা করে। রাজ্যে পালা বদল হওয়ার পর রাজু ঝা অনেক রাজনৈতিক দলের জামা পড়েছেন। প্রসঙ্গত খুন হওয়ার দিন রাজু যে গাড়িটি চেপে আসছিলেন সেই সাদা এস ইউ ভি গাড়িটি নাকি গরু পাচার কাণ্ডে সিবিআই এর খাতায় ফেরার হওয়া আব্দুল লতিফের। গাড়িতে রাজুর সঙ্গে এক আরোহী ব্রতীন মুখোপাধ্যায়ের হাতেও গুলির চোট লাগে। গাড়ির চালক নূর হোসেন ও ব্রতীর্ণ মুখোপাধ্যায় কে পুলিশ জেরা করে করে অনেক অসংগতি পান বলে জানা গেছে। গাড়িতে সেদিন ঠিক কতজন আরোহি ছিলেন তদন্তকারী পুলিশেরা তা জানার চেষ্টা করছেন। পুলিশ খুব শীঘ্রই এই খুনের ঘটনা কিনারা করবেন বলে জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পুলিশ সিট গঠন করেছেন।