২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩

নিমশায় কবি নজরুলের প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি

নিজস্ব সংবাদদাতা, পশ্চিম বর্ধমান : বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতি বিজড়িত নিমশায় কবির প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা জানানো হয়। কবি নজরুল সংঘ আয়োজিত এই শ্রদ্ধা – স্মরণ অনুষ্ঠানে নিমশা হাটতলায় কবির আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যার্পণ করেন সংঘের সভাপতি শেখ ফজলে করিম, সম্পাদক বাপ্পা কাজী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিকি কাজী, ক্রীড়া সম্পাদক কাজী জসিমুদ্দিন আহমেদ, সেখ রমজান আলী প্রমুখ। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কাজী হাসেম আলী। তিনি বলেন, কবি নজরুলের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য কবিতা – গানের ভাষা আজও আমাদের ভেদমুক্ত সামাজিক সম্পর্ক নির্মাণের অন্যতম প্রধান অবলম্বন হতে পারে। অনুষ্ঠানে কবির কবিতা আবৃত্তি ও সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।
প্রসঙ্গত, ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট বিদ্রোহী কবি বাংলাদেশের ঢাকার পিজি হসপিটালে লোকান্তরিত হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদ সন্নিকটে কবিকে সমাধিস্থ করা হয়। বাংলাদেশ সরকার কবিকে দেশের সর্বোচ্চ একুশে পদক প্রদান করে। এবং জাতীয় কবি হিসাবে ঘোষণা করে। তারপরও এপার বাংলার নজরুলপ্রেমীদের মধ্যে ক্ষোভ আজও, কেন কবিকে নিজের মাটিতে মাটি দেওয়া হল না? পরে অবশ্য কবিপুত্র কাজী সব্যসাচী ইসলাম বাংলাদেশ থেকে কবির সমাধি থেকে মাটি এনে কবির বাস্তুভিটা কবিতীর্থ চুরুলিয়ায় কবির স্মৃতি সমাধি গড়ে তোলার কাজে নজরুল একাডেমীকে সাহায্য করেন। কিন্তু কবিপত্নী প্রমীলা ইসলামের সমাধি পাশে কবির সমাধি রচিত হলে হয়তো আরও ভালো হতো। বিষয়টি নিয়ে আজও ক্ষোভ রয়ে গেছে নিমশার মানুষের মনে, এলাকায়, কবির জন্মস্থান চুরুলিয়াতেও।
কবির জেলায় খনি – শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে বিদ্রোহী কবির প্রতি শ্রদ্ধা – স্মরণের অনুষ্ঠান চলছে। কবির বাস্তুভিটাতেও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। নিমশার নজরুলপ্রেমীরাও আজকের এই অনুষ্ঠানে কবির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিকি কাজী।

তৃণমূলের আমলে পাশ হওয়া নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক ইমারত তৈরি আপাতত বন্ধ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নিমশায় কবি নজরুলের প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি

আপডেট : ২৯ অগাস্ট ২০২৪, বৃহস্পতিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা, পশ্চিম বর্ধমান : বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতি বিজড়িত নিমশায় কবির প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা জানানো হয়। কবি নজরুল সংঘ আয়োজিত এই শ্রদ্ধা – স্মরণ অনুষ্ঠানে নিমশা হাটতলায় কবির আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যার্পণ করেন সংঘের সভাপতি শেখ ফজলে করিম, সম্পাদক বাপ্পা কাজী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিকি কাজী, ক্রীড়া সম্পাদক কাজী জসিমুদ্দিন আহমেদ, সেখ রমজান আলী প্রমুখ। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কাজী হাসেম আলী। তিনি বলেন, কবি নজরুলের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য কবিতা – গানের ভাষা আজও আমাদের ভেদমুক্ত সামাজিক সম্পর্ক নির্মাণের অন্যতম প্রধান অবলম্বন হতে পারে। অনুষ্ঠানে কবির কবিতা আবৃত্তি ও সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।
প্রসঙ্গত, ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট বিদ্রোহী কবি বাংলাদেশের ঢাকার পিজি হসপিটালে লোকান্তরিত হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদ সন্নিকটে কবিকে সমাধিস্থ করা হয়। বাংলাদেশ সরকার কবিকে দেশের সর্বোচ্চ একুশে পদক প্রদান করে। এবং জাতীয় কবি হিসাবে ঘোষণা করে। তারপরও এপার বাংলার নজরুলপ্রেমীদের মধ্যে ক্ষোভ আজও, কেন কবিকে নিজের মাটিতে মাটি দেওয়া হল না? পরে অবশ্য কবিপুত্র কাজী সব্যসাচী ইসলাম বাংলাদেশ থেকে কবির সমাধি থেকে মাটি এনে কবির বাস্তুভিটা কবিতীর্থ চুরুলিয়ায় কবির স্মৃতি সমাধি গড়ে তোলার কাজে নজরুল একাডেমীকে সাহায্য করেন। কিন্তু কবিপত্নী প্রমীলা ইসলামের সমাধি পাশে কবির সমাধি রচিত হলে হয়তো আরও ভালো হতো। বিষয়টি নিয়ে আজও ক্ষোভ রয়ে গেছে নিমশার মানুষের মনে, এলাকায়, কবির জন্মস্থান চুরুলিয়াতেও।
কবির জেলায় খনি – শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে বিদ্রোহী কবির প্রতি শ্রদ্ধা – স্মরণের অনুষ্ঠান চলছে। কবির বাস্তুভিটাতেও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। নিমশার নজরুলপ্রেমীরাও আজকের এই অনুষ্ঠানে কবির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিকি কাজী।