০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

তিন বছরেও সারেনি রাস্তা, জমা জলে মাছ ধরে ধানের চারা রোপণ করে বিক্ষোভ

মালদা: বর্ষা এলেই হাঁটুসমান জলে ডুবে যায় গ্রামের রাস্তা। জল-কাদায় নিত্যদিনের যাতায়াত কার্যত দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ তিন বছর ধরে এমন পরিস্থিতি চললেও রাস্তা সংস্কারে প্রশাসনের কোনও উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের। স্থানীয় নেতা, পঞ্চায়েত ও ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় অভিনব প্রতিবাদে সামিল হন ডারল গ্রামের বাসিন্দারা। রাস্তার জমা জলে জাল ফেলে মাছ ধরার পাশাপাশি ধানের চারা রোপণ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা। ঘটনাটি হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের সুলতাননগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ডারল গ্রামে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার পাশে নিকাশি নালা না থাকায় বৃষ্টির জল বের হওয়ার পথ নেই। ফলে জল জমে মশা-মাছির উপদ্রব বাড়ছে এবং নোংরা জল ঢুকে পড়ছে বাড়িতেও।
এই রাস্তা দিয়েই স্কুল ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে যেতে হয়। শিশু, পড়ুয়া, অসুস্থ ও প্রসূতিদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বাইক ও টোটো চলাচলেও রয়েছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা। গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ, রাস্তার দুরবস্থার কারণে আত্মীয়স্বজন আসতে চান না। এমনকী, রাস্তার অবস্থা দেখে ছেলে-মেয়েদের বিয়ের সম্বন্ধ পর্যন্ত ভেঙে যাচ্ছে। দ্রুত রাস্তা সংস্কার ও নিকাশি ব্যবস্থা তৈরির দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।

দলীপ ট্রফির ফাইনাল রবিবার, ১০০তম প্রথম-শ্রেণির ম্যাচ পূর্ণ করার সময় শামীকে অভিনন্দন জানাবে সিএবি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

তিন বছরেও সারেনি রাস্তা, জমা জলে মাছ ধরে ধানের চারা রোপণ করে বিক্ষোভ

আপডেট : ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার
মালদা: বর্ষা এলেই হাঁটুসমান জলে ডুবে যায় গ্রামের রাস্তা। জল-কাদায় নিত্যদিনের যাতায়াত কার্যত দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ তিন বছর ধরে এমন পরিস্থিতি চললেও রাস্তা সংস্কারে প্রশাসনের কোনও উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের। স্থানীয় নেতা, পঞ্চায়েত ও ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় অভিনব প্রতিবাদে সামিল হন ডারল গ্রামের বাসিন্দারা। রাস্তার জমা জলে জাল ফেলে মাছ ধরার পাশাপাশি ধানের চারা রোপণ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা। ঘটনাটি হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের সুলতাননগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ডারল গ্রামে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার পাশে নিকাশি নালা না থাকায় বৃষ্টির জল বের হওয়ার পথ নেই। ফলে জল জমে মশা-মাছির উপদ্রব বাড়ছে এবং নোংরা জল ঢুকে পড়ছে বাড়িতেও।
এই রাস্তা দিয়েই স্কুল ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে যেতে হয়। শিশু, পড়ুয়া, অসুস্থ ও প্রসূতিদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বাইক ও টোটো চলাচলেও রয়েছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা। গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ, রাস্তার দুরবস্থার কারণে আত্মীয়স্বজন আসতে চান না। এমনকী, রাস্তার অবস্থা দেখে ছেলে-মেয়েদের বিয়ের সম্বন্ধ পর্যন্ত ভেঙে যাচ্ছে। দ্রুত রাস্তা সংস্কার ও নিকাশি ব্যবস্থা তৈরির দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।