নিউজ ডেস্ক: প্রশ্ন উঠছে এই কারণেই যে নরেন্দ্র মোদী ওই অনুষ্ঠানে গেলে প্রবল ক্ষুব্ধ হবেন ট্রাম্প। অথচ মোদীকে ইরান সরকার খুবই আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ করেছেন। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান নয়াদিল্লিকে একটি আমন্ত্রণ পাঠিয়েছেন বলে খবর। কিন্তু কূটনীতির মারপ্যাঁচে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ক্ষুব্ধ করে কি ইরান যাবেন প্রধানমন্ত্রী? সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। ভারত ছাড়াও ইরাক, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, সিরিয়া, লেবানন, রাশিয়া, চিন-সহ আরও কয়েকটি রাষ্ট্রকেও আমন্ত্রণ জানিয়েছে তেহরান। গত ফেব্রুয়ারিতে খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর ভারত শোকপ্রকাশ করে। ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি নয়াদিল্লির ইরানি দূতাবাসে গিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে শোকবার্তায় স্বাক্ষর করেন। ইরানের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সাংস্কৃতিক, কূটনৈতিক এবং সভ্যতাগত সম্পর্ক রয়েছে। যুদ্ধ আবহে মোদি এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর একাধিকবার ইরানের নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন।
২০২৪ সালে ইরানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুর পর তাঁর শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছিল নয়াদিল্লি। কিন্তু এখন পরিস্থিতি ভিন্ন। তাই এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মোদি ইরান যান কি না, সেটাই দেখার। আগামী ৪ জুলাই খামেনেইয়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার ধর্মীয় প্রক্রিয়া শুরু হবে। ৯ জুলাই ইরানের মাশহাদ শহরে তাঁকে সমাহিত করা হবে। ১০০ দিনেরও বেশি সময় পর সমাহিত করা হচ্ছে খামেনেইকে। ইরানের প্রাক্তন সুপ্রিম লিডারের শেষকৃত্যে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছিল নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ। যা পরিস্থিতি ছিল তাতে বড় আকারের সমাবেশের আয়োজন যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছিল ইরানি কর্তৃপক্ষ। কারণ, জমায়েত হলে সেখানে হামলা চালাতে পারে ইজরায়েল কিংবা আমেরিকা। সেক্ষেত্রে বহু প্রাণহানির আশঙ্কা থাকবে।
নতুন গতি 




















