২৪ মে ২০২৬, রবিবার, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৪ মে ২০২৬, রবিবার, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

গরমের ছুটিতে খুদে পড়ুয়াদের জন্য সাউথ সিটি মলে এক টুকরো ‘জুরাসিক পার্ক’

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: গরমের ছুটিতে খুদে পড়ুয়াদের ডাইনোসরের যুগে ফিরিয়ে নিয়ে গেল সাউথ সিটি মল কর্তৃপক্ষ। এই শপিং মলের প্রবেশ পথের ভিতরে আয়োজন করা হয়েছে ‘ডাইনো ওয়ার্ল্ড’ নামে ডাইনোসরদের নানা কর্মকান্ডের এক প্রদর্শনী, ছোটো বাচ্ছা, স্কুলপড়ুয়া থেকে অভিভাবকরাও যা উপভোগ করছেন আনন্দের সঙ্গে।

উদ্যোক্তাদের দাবি, ৪৫ দিন ধরে চলবে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহত্তম প্রাগৈতিহাসিক থিমভিত্তিক এই প্রদর্শনী। মলের ভিতরেই তৈরি করা হয়েছে এক বিশাল প্রাগৈতিহাসিক জগৎ। সেখানে থাকছে বিশাল আকৃতির ডাইনোসরের মডেল, প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীদের ওয়াকথ্রু জোন, ইন্টারঅ্যাকটিভ গেমস, ফটো তোলার বিশেষ ব্যবস্থা এবং নানা ধরনের শিক্ষামূলক ও বিনোদনমূলক কার্যক্রম। আয়োজকদের মতে, শুধুমাত্র বিনোদন নয়, শিশুদের কৌতূহল ও শেখার আগ্রহ বাড়াতেও এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

গরমের ছুটিতে সন্তানদের নিয়ে অনেক অভিভাবকই এখন ইনডোর অ্যাক্টিভিটির খোঁজ করেন। সেই ভাবনা থেকেই এই বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মলের সেন্ট্রাল ডিরেক্টর দ্বীপ বিশ্বাস। তিনি জানান, এখানে শিশুদের জন্য থাকছে বিভিন্ন ওয়ার্কশপ ও হাতে-কলমে শেখার সুযোগ, যেখানে গল্প, বিজ্ঞান ও কল্পনার মেলবন্ধনে তুলে ধরা হয়েছে ডাইনোসরের পৃথিবী। এখন মানুষ শুধুমাত্র কেনাকাটা করতে মলে আসেন না, তাঁরা চান পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে দিনভর কাটানোর মতো অভিজ্ঞতা। সেই লক্ষ্যেই এই পরিকল্পনা।

এলিটের আলো ছাড়িয়ে গ্রাসরুটের স্বপ্নযাত্রা, কলকাতা ইয়ুথ ফুটবল লীগে উঠছে আগামী দিনের তারকারা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গরমের ছুটিতে খুদে পড়ুয়াদের জন্য সাউথ সিটি মলে এক টুকরো ‘জুরাসিক পার্ক’

আপডেট : ২৩ মে ২০২৬, শনিবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: গরমের ছুটিতে খুদে পড়ুয়াদের ডাইনোসরের যুগে ফিরিয়ে নিয়ে গেল সাউথ সিটি মল কর্তৃপক্ষ। এই শপিং মলের প্রবেশ পথের ভিতরে আয়োজন করা হয়েছে ‘ডাইনো ওয়ার্ল্ড’ নামে ডাইনোসরদের নানা কর্মকান্ডের এক প্রদর্শনী, ছোটো বাচ্ছা, স্কুলপড়ুয়া থেকে অভিভাবকরাও যা উপভোগ করছেন আনন্দের সঙ্গে।

উদ্যোক্তাদের দাবি, ৪৫ দিন ধরে চলবে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহত্তম প্রাগৈতিহাসিক থিমভিত্তিক এই প্রদর্শনী। মলের ভিতরেই তৈরি করা হয়েছে এক বিশাল প্রাগৈতিহাসিক জগৎ। সেখানে থাকছে বিশাল আকৃতির ডাইনোসরের মডেল, প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীদের ওয়াকথ্রু জোন, ইন্টারঅ্যাকটিভ গেমস, ফটো তোলার বিশেষ ব্যবস্থা এবং নানা ধরনের শিক্ষামূলক ও বিনোদনমূলক কার্যক্রম। আয়োজকদের মতে, শুধুমাত্র বিনোদন নয়, শিশুদের কৌতূহল ও শেখার আগ্রহ বাড়াতেও এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

গরমের ছুটিতে সন্তানদের নিয়ে অনেক অভিভাবকই এখন ইনডোর অ্যাক্টিভিটির খোঁজ করেন। সেই ভাবনা থেকেই এই বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মলের সেন্ট্রাল ডিরেক্টর দ্বীপ বিশ্বাস। তিনি জানান, এখানে শিশুদের জন্য থাকছে বিভিন্ন ওয়ার্কশপ ও হাতে-কলমে শেখার সুযোগ, যেখানে গল্প, বিজ্ঞান ও কল্পনার মেলবন্ধনে তুলে ধরা হয়েছে ডাইনোসরের পৃথিবী। এখন মানুষ শুধুমাত্র কেনাকাটা করতে মলে আসেন না, তাঁরা চান পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে দিনভর কাটানোর মতো অভিজ্ঞতা। সেই লক্ষ্যেই এই পরিকল্পনা।