২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩

কলকাতা এখন সেরা ওয়্যারহাউসিং হাব

নিজস্ব প্রতিবেদক : কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল এখন ভারতের দ্রুততম বৃদ্ধি পাওয়া ওয়্যারহাউস ও লজিস্টিক হাব হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ৭০০ কোটি টাকার চুক্তি বিভিন্ন পর্যায়ে আছে। গত বছর কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ৩৫ লক্ষ বর্গফুট ওয়্যারহাউসিং সম্পন্ন হয়েছে।

২ ও ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশের অঞ্চল এই ব্যবসায় খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই দুই সড়কের ধারে ৫০০ একর জমি নেওয়ার কথা চলছে।এখানে লজিস্টিক মুখী আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন মর্গান স্ট্যানলি, ইএসআর, অলকার্গো লজিস্টিক্স, ইন্দোস্পেস, এম্বাসিরাই মূলত বিনিয়োগ করছে।

ভৌগলিক অবস্থানের সুবিধা : দিল্লী রোড, পুরনো দিল্লী রোড, বম্বে রোড মূল শহর থেকে প্রায় ৩০/৪০ কিলোমিটার দূরে ও হাওড়া ও হুগলী শহরে অবস্থিত। এই রাস্তার মাধ্যমে উত্তর ভারত ও পূর্ব ও উত্তর পূর্ব ভারতে যাতায়াত খুব সহজ। তাই, এইসব বিদেশী সংস্থার মূল লক্ষ্য এইসব রাস্তার আশপাশের অঞ্চল। সহজ যোগাযোগ, ই-কমার্সের সুবিধা, হাব অ্যান্ড স্পোক মডেল এই সব কারণেই পূর্ব ভারত এখন বিদেশী সংস্থার বিনিয়োগ কেন্দ্র।

বিনিয়োগের সম্ভাবনা : এখানে জমির দাম ৩০ শতাংশ বেড়েছে। যেখানে একর পিছু দাম ছিল ৭০ লক্ষ টাকা, তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ১ কোটি টাকা। এরপর ঐ জমির উন্নয়নে প্রতি বর্গফুটে লাগছে ১৫০০ টাকা। একটি রিয়েল এস্টেট সংস্থার ২০১৮ সালের রিপোর্টে দেখা গেছে ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে রাজ্যে ৪৩০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ হবে ওয়্যারহাউস ও লজিস্টিক ক্ষেত্রে।এখানে যেসব শিল্প এসেছে, তার মধ্যে আছে এফএমসিজি, ই-কমার্স কোম্পানি যেমন ফ্লিপকার্ট, অ্যামাজন। অনেক সংস্থা এখানে লজিস্টিক হাবেরও জায়গা নিচ্ছে।

কলকাতায় ওয়্যারহাউজিং ক্ষেত্রে ২০১৮ সালে ৪৭ লক্ষ বর্গফুট অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ২০১৭ সালে কলকাতায় ওয়্যারহাউজিং ক্ষেত্রে হঠাৎ জমির চাহিদা ১৯১ শতাংশ বাড়ে যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।

তৃণমূলের আমলে পাশ হওয়া নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক ইমারত তৈরি আপাতত বন্ধ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কলকাতা এখন সেরা ওয়্যারহাউসিং হাব

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার

নিজস্ব প্রতিবেদক : কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল এখন ভারতের দ্রুততম বৃদ্ধি পাওয়া ওয়্যারহাউস ও লজিস্টিক হাব হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ৭০০ কোটি টাকার চুক্তি বিভিন্ন পর্যায়ে আছে। গত বছর কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ৩৫ লক্ষ বর্গফুট ওয়্যারহাউসিং সম্পন্ন হয়েছে।

২ ও ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশের অঞ্চল এই ব্যবসায় খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই দুই সড়কের ধারে ৫০০ একর জমি নেওয়ার কথা চলছে।এখানে লজিস্টিক মুখী আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন মর্গান স্ট্যানলি, ইএসআর, অলকার্গো লজিস্টিক্স, ইন্দোস্পেস, এম্বাসিরাই মূলত বিনিয়োগ করছে।

ভৌগলিক অবস্থানের সুবিধা : দিল্লী রোড, পুরনো দিল্লী রোড, বম্বে রোড মূল শহর থেকে প্রায় ৩০/৪০ কিলোমিটার দূরে ও হাওড়া ও হুগলী শহরে অবস্থিত। এই রাস্তার মাধ্যমে উত্তর ভারত ও পূর্ব ও উত্তর পূর্ব ভারতে যাতায়াত খুব সহজ। তাই, এইসব বিদেশী সংস্থার মূল লক্ষ্য এইসব রাস্তার আশপাশের অঞ্চল। সহজ যোগাযোগ, ই-কমার্সের সুবিধা, হাব অ্যান্ড স্পোক মডেল এই সব কারণেই পূর্ব ভারত এখন বিদেশী সংস্থার বিনিয়োগ কেন্দ্র।

বিনিয়োগের সম্ভাবনা : এখানে জমির দাম ৩০ শতাংশ বেড়েছে। যেখানে একর পিছু দাম ছিল ৭০ লক্ষ টাকা, তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ১ কোটি টাকা। এরপর ঐ জমির উন্নয়নে প্রতি বর্গফুটে লাগছে ১৫০০ টাকা। একটি রিয়েল এস্টেট সংস্থার ২০১৮ সালের রিপোর্টে দেখা গেছে ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে রাজ্যে ৪৩০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ হবে ওয়্যারহাউস ও লজিস্টিক ক্ষেত্রে।এখানে যেসব শিল্প এসেছে, তার মধ্যে আছে এফএমসিজি, ই-কমার্স কোম্পানি যেমন ফ্লিপকার্ট, অ্যামাজন। অনেক সংস্থা এখানে লজিস্টিক হাবেরও জায়গা নিচ্ছে।

কলকাতায় ওয়্যারহাউজিং ক্ষেত্রে ২০১৮ সালে ৪৭ লক্ষ বর্গফুট অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ২০১৭ সালে কলকাতায় ওয়্যারহাউজিং ক্ষেত্রে হঠাৎ জমির চাহিদা ১৯১ শতাংশ বাড়ে যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।