২৬ মে ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৬ মে ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ঐতিহ্যবাহী শিয়ালদহ ষ্টেশনের নাম ‘শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী টার্মিনাস’ করার দাবীতে গণসাক্ষর সংগ্রহে পথে নামলো হিন্দু সংহতি

সামিম আহমেদ, নতুন গতি,ক্যানিং : ভারতবর্ষের পশ্চিম বাংলার ঐতিহ্যবাহী শিয়ালদহ ষ্টেশন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর রাজত্বের সময় ১৮৬৯ খ্রীস্টাব্দে চালু হয়। শিয়ালদহ স্টেশন আরও একটি ঐতিহ্য বহন করে চলেছে, আমেরিকায় ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়ে ফেরার পথে এই শিয়ালদহ স্টেশনেই নেমেছিল। স্বামীজি যে গেট দিয়ে শহরে প্রবেশ করেছিল, আজও সেই গেট তার ঐতিহ্য বহন করে চলেছে। এখান থেকে তৎকালীন পূর্ব বঙ্গীয় রেল বিভাগ এর আওতায় ছিল। স্বাধীনতার আগে দার্জিলিং মেল শিয়ালদহ হতে রাণাঘাট,গেদে-দর্শনা পথ ধরে পূর্ব বঙ্গ তথা বর্তমান বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে শিলিগুড়ি পৌঁছিয়ে যেতো।

১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় পূর্ববঙ্গীয় রেলের শিয়ালদহ বিভাগ ভারতের পূর্ব রেলের আওতা ভুক্ত হয় এবং অবশিষ্ট অংশ তদান্তিন পূর্ব পাকিস্তান এর অন্তর্গত হয়।
তদান্তিন সময়ে পূর্ব পাকিস্তানের বৃহৎ অংশের মানুষজনের লক্ষ্য ছিল কোনমতে কলকাতায় পৌঁছানো। শিয়ালদহ ষ্টেশনে তখন মানুষের দীর্ঘ সারি। খাদ্য,পানীয় জল,ওষুধ সহ কোন কিছুই নিশ্চয়তা ছিল না।
সেই সময় কালে শিয়ালদহ ষ্টেশনে আশ্রয় নেওয়া উদ্বাস্তুদের দুঃখ দুর্দশা অবসানের জন্য সচেষ্ট হন ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী।
তাঁর সেই অবদানের জন্য শিয়ালদহ ষ্টেশনের নাম পরিবর্তন করে “ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী টার্মিনাস” করার জন্য রাজ্যের বিভিন্ন রেলওয়ে ষ্টেশনে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযানে পথে নামলো হিন্দু সংহতি।

জানাগেছে, হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে প্রায় শতাধিক ষ্টেশনে এই গণস্বাক্ষর অভিযান শুরু হয়েছে গত ৮ আগষ্ট থেকে, চলবে আগামী ১৪ আগষ্ট পর্যন্ত। শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার ক্যানিং ষ্টেশনে গণস্বাক্ষর অভিযানে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির কেন্দ্রীয় কম ।

কোর্টপাড়ায় শোকের ছায়া! না ফেরার দেশে বর্ষীয়ান আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ঐতিহ্যবাহী শিয়ালদহ ষ্টেশনের নাম ‘শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী টার্মিনাস’ করার দাবীতে গণসাক্ষর সংগ্রহে পথে নামলো হিন্দু সংহতি

আপডেট : ১০ অগাস্ট ২০১৯, শনিবার

সামিম আহমেদ, নতুন গতি,ক্যানিং : ভারতবর্ষের পশ্চিম বাংলার ঐতিহ্যবাহী শিয়ালদহ ষ্টেশন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর রাজত্বের সময় ১৮৬৯ খ্রীস্টাব্দে চালু হয়। শিয়ালদহ স্টেশন আরও একটি ঐতিহ্য বহন করে চলেছে, আমেরিকায় ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়ে ফেরার পথে এই শিয়ালদহ স্টেশনেই নেমেছিল। স্বামীজি যে গেট দিয়ে শহরে প্রবেশ করেছিল, আজও সেই গেট তার ঐতিহ্য বহন করে চলেছে। এখান থেকে তৎকালীন পূর্ব বঙ্গীয় রেল বিভাগ এর আওতায় ছিল। স্বাধীনতার আগে দার্জিলিং মেল শিয়ালদহ হতে রাণাঘাট,গেদে-দর্শনা পথ ধরে পূর্ব বঙ্গ তথা বর্তমান বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে শিলিগুড়ি পৌঁছিয়ে যেতো।

১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় পূর্ববঙ্গীয় রেলের শিয়ালদহ বিভাগ ভারতের পূর্ব রেলের আওতা ভুক্ত হয় এবং অবশিষ্ট অংশ তদান্তিন পূর্ব পাকিস্তান এর অন্তর্গত হয়।
তদান্তিন সময়ে পূর্ব পাকিস্তানের বৃহৎ অংশের মানুষজনের লক্ষ্য ছিল কোনমতে কলকাতায় পৌঁছানো। শিয়ালদহ ষ্টেশনে তখন মানুষের দীর্ঘ সারি। খাদ্য,পানীয় জল,ওষুধ সহ কোন কিছুই নিশ্চয়তা ছিল না।
সেই সময় কালে শিয়ালদহ ষ্টেশনে আশ্রয় নেওয়া উদ্বাস্তুদের দুঃখ দুর্দশা অবসানের জন্য সচেষ্ট হন ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী।
তাঁর সেই অবদানের জন্য শিয়ালদহ ষ্টেশনের নাম পরিবর্তন করে “ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী টার্মিনাস” করার জন্য রাজ্যের বিভিন্ন রেলওয়ে ষ্টেশনে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযানে পথে নামলো হিন্দু সংহতি।

জানাগেছে, হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে প্রায় শতাধিক ষ্টেশনে এই গণস্বাক্ষর অভিযান শুরু হয়েছে গত ৮ আগষ্ট থেকে, চলবে আগামী ১৪ আগষ্ট পর্যন্ত। শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার ক্যানিং ষ্টেশনে গণস্বাক্ষর অভিযানে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির কেন্দ্রীয় কম ।